Posts

"আলোর ইতিহাস: মোমবাতির হাজার বছরের পথচলা"

Image
মোমবাতির উৎপত্তি মানবসভ্যতার বহু প্রাচীন ইতিহাসের সঙ্গে জড়িত। আগুন আবিষ্কারের পর থেকেই মানুষ আলো জ্বালানোর সহজ উপায় খুঁজতে থাকে—সেখান থেকেই মোমবাতির ধারণা। 🏺 প্রাচীন যুগে প্রায় ৩০০০ খ্রিষ্টপূর্বে Ancient Egypt-এ মানুষ প্যাপিরাস কাঠি গলিত চর্বিতে ডুবিয়ে “রাশলাইট” তৈরি করত। এগুলো ছিল আধুনিক মোমবাতির পূর্বসূরি। একই সময়ে Ancient Rome-এ পশুর চর্বি (ট্যালো) ব্যবহার করে প্রথম প্রকৃত সলতেসহ মোমবাতি তৈরি হয়। এগুলো ঘরবাড়ি ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ব্যবহৃত হতো। 🕯️ মধ্যযুগে ইউরোপে মৌমাছির মোম (বীজওয়াক্স) দিয়ে উন্নতমানের মোমবাতি তৈরি শুরু হয়। এগুলো ধোঁয়া কম দিত এবং গন্ধও ছিল মিষ্টি। গির্জা ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে ব্যবহৃত হতো। ⚙️ আধুনিক যুগে ১৯শ শতকে প্যারাফিন (পেট্রোলিয়ামজাত পদার্থ) আবিষ্কারের পর সস্তা ও পরিষ্কার জ্বালানির মোমবাতি তৈরি সহজ হয়। শিল্পবিপ্লবের ফলে কারখানায় ব্যাপক উৎপাদন শুরু হয়। বিদ্যুৎ আবিষ্কারের পর দৈনন্দিন আলোর উৎস হিসেবে মোমবাতির ব্যবহার কমে যায়, তবে ধর্মীয়, সৌন্দর্যবর্ধক ও সুগন্ধি হিসেবে এর ব্যবহার আজও জনপ্রিয়। ✨ সংক্ষেপে মোমবাতি শুধু আল...

সিদ্ধিদাতা গণেশই যখন শাঁখায়। বিরল শাঁখার ডিজাইন গণপতি সম্পর্কে জানুন বিস্তারিত।

Image
নিজস্ব প্রতিবেদন: শাঁখার ক্লাসিক্যাল ডিজাইনের পাশাপাশি মর্ডাণ ডিজাইনে নানা রকমের রকমারি বৈচিত্র্য দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। মর্ডাণ সোনা বাঁধানো শাঁখার মধ্যে দামী নকশা হলো গণপতি ডিজাইন।  কেন শাঁখার নাম হলো গণপতি? উপরের স্যাম্পেলে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে শুড় সহ গণপতি বা গণেশের মুখ প্রতিভাত হচ্ছে। সেই সঙ্গে আড়াআড়ি কৌনিক ভাবে মাঝারি গ্যাপ সহ ছড়ি ডিজাইন শাঁখার অপরুপ সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে। যার অবতল স্থানগুলো স্বর্ণ তার দ্বারা ভরাট করা হয়েছে। এটি শুধু মাত্র মর্ডাণ ডিজাইন নয় এটি একটি বিরল ডিজাইন যা তৈরি করা খুবই কষ্টসাধ্য। দামের বিষয়: এই শাঁখার নকশা তৈরি করতে শাঁখারিকে অনেক পরিশ্রম করতে হয় সুন্দর শিল্পকলাটি শাঁখার মধ্যে ফুটিয়ে তুলতে। তাই পরিশ্রমের দাম স্বরুপ মূল্য তো বেশি হবেই। আনুমানিক ১৫০০-৩৫০০ টাকা মূল্য লাগে স্বর্ণ ছাড়া একজোড়া গণপতি শাঁখা তৈরি করতে। এছাড়াও শৌখিন কাজ হবার জন্য খুব ভালো মানের শাঁখা ব্যবহার করা হয়ে থাকে। বিশেষ দ্রষ্টব্য: আদি মেলাইচণ্ডী শঙ্খ স্টোর্সের যেহেতু এটি কমন ডিজাইন নয় এবং এটি তৈরি করতে অনেক সময় লাগে তাই আগে থেকে অর্ডার দিতে হবে এবং ৭-১৪ দিন+ ...

শাঁখার প্রাচীন ডিজাইন খেজুরছড়ি

Image
নিজস্ব প্রতিবেদন: শাঁখার প্রাচীন ডিজাইনের মধ্যে অন্যতম ডিজাইন হলো খেজুরছড়ি। শাঁখারিরা খুব ঘন সন্নিবিষ্ট ভাবে খেজুর গাছের পাতার ন্যায় নকশা করে থাকে এই ডিজাইনে। পর পর কোনাকুনি ভাবে দাঁড়ি তৈরি করার জন্য খুব সুন্দর দেখতে লাগে এই নকশা। দাঁড়িগুলোর একটি উত্তল (CONVEX) এবং অপরটি অবতল (CONCAVE) হয়ে থাকে কোনাকুনি ভাবে। খেজুর ছড়ি শাঁখার প্রাচীন ডিজাইনের মধ্যে একটি জনপ্রিয় ডিজাইন যা এখনও সমানভাবে জনপ্রিয় হয়ে আছে। সকল বয়সের মেয়েরাই খেজুর ছড়ি শাঁখা পড়তে পারে তবে একটু মধ্যম ও বয়স্ক সধবা মহিলাদের মধ্যে এই শাঁখার চল বেশি রয়েছে। খেজুরছড়ি ডিজাইন দুধরনের হয়ে থাকে একটি আংশিক খেজুর ছড়ি শাঁখা এবং সম্পূর্ণ খেজুরছড়ি শাঁখা। আংশিক খেজুর ছড়ির ক্ষেত্রে খেজুর গাছের পাতার একদিক দেখতে যেমন শাঁখার ডিজাইন সেরকম হয়ে থাকে ‌। সম্পূর্ণ খেজুরছড়ির ক্ষেত্রে খেজুর গাছের পাতার দুদিক যেমন দেখতে হয় সেরকম হয়ে থাকে। একজোড়া খেজুরছড়ি শাঁখার আনুমানিক মূল্য হয়ে থাকে ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত যা শাঁখার মাপ ও ধরনের উপর নির্ভর করে। আদি মেলাইচণ্ডী শঙ্খ স্টোর্সে একজোড়া খেজুরছড়ি শাঁখার দাম ৩০০ থেকে ৬০...