শাঁখার প্রাচীন ডিজাইন খেজুরছড়ি
নিজস্ব প্রতিবেদন: শাঁখার প্রাচীন ডিজাইনের মধ্যে অন্যতম ডিজাইন হলো খেজুরছড়ি। শাঁখারিরা খুব ঘন সন্নিবিষ্ট ভাবে খেজুর গাছের পাতার ন্যায় নকশা করে থাকে এই ডিজাইনে। পর পর কোনাকুনি ভাবে দাঁড়ি তৈরি করার জন্য খুব সুন্দর দেখতে লাগে এই নকশা। দাঁড়িগুলোর একটি উত্তল (CONVEX) এবং অপরটি অবতল (CONCAVE) হয়ে থাকে কোনাকুনি ভাবে। খেজুর ছড়ি শাঁখার প্রাচীন ডিজাইনের মধ্যে একটি জনপ্রিয় ডিজাইন যা এখনও সমানভাবে জনপ্রিয় হয়ে আছে। সকল বয়সের মেয়েরাই খেজুর ছড়ি শাঁখা পড়তে পারে তবে একটু মধ্যম ও বয়স্ক সধবা মহিলাদের মধ্যে এই শাঁখার চল বেশি রয়েছে। খেজুরছড়ি ডিজাইন দুধরনের হয়ে থাকে একটি আংশিক খেজুর ছড়ি শাঁখা এবং সম্পূর্ণ খেজুরছড়ি শাঁখা। আংশিক খেজুর ছড়ির ক্ষেত্রে খেজুর গাছের পাতার একদিক দেখতে যেমন শাঁখার ডিজাইন সেরকম হয়ে থাকে । সম্পূর্ণ খেজুরছড়ির ক্ষেত্রে খেজুর গাছের পাতার দুদিক যেমন দেখতে হয় সেরকম হয়ে থাকে। একজোড়া খেজুরছড়ি শাঁখার আনুমানিক মূল্য হয়ে থাকে ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত যা শাঁখার মাপ ও ধরনের উপর নির্ভর করে। আদি মেলাইচণ্ডী শঙ্খ স্টোর্সে একজোড়া খেজুরছড়ি শাঁখার দাম ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে যা+- ৫০ টাকা কমবেশি হয়ে থাকে। খেজুরছড়ি শাঁখার ডিজাইন ২২, ২৪ ও ২৬ কমন হয়ে থাকে অর্থাৎ ছোট হাত, মাঝারি হাত ও বড়ো হাত সবধরনের হাতের পাওয়া যায় আদি মেলাইচণ্ডী শঙ্খ স্টোর্সে খেজুরছড়ি শাঁখা।
খেজুরছড়ি শাঁখার অসুবিধা: খেজুরছড়ি শাঁখায় ডিজাইন একধরনের হয়ে থাকে। নিবিড় ভাবে উত্তল ও অবতল দাঁড়ির অবস্থানের কারণে ময়লা পড়ার সম্ভাবনা বেশি।
খেজুরছড়ি শাঁখার সুবিধা: খেজুরছড়ি শাঁখার দাম কম, অনেক টেকসই ও জনপ্রিয় বিশেষত মধ্যম ও বয়স্ক সধবা মহিলাদের জন্য। মোটা ও সরু দুধরনের শাঁখাতেই এই ডিজাইন বানানো সম্ভব। ময়লা পড়ার সম্ভাবনা বেশি থাকলেও খুব সহজেই তা পরিষ্কার করা যায়।
লেখায়: অর্ঘ্য বটব্যাল।
১/১/২০২৩
Comments
Post a Comment